পড়া তো হচ্ছে,
কিন্তু মনে থাকছে কি?
একদিন উৎসাহ নিয়ে অনেকটা পড়ে ফেলা, তারপর কয়েক দিন বইয়ের ধারেকাছেও না যাওয়া — চেনা লাগছে? সমস্যাটা আপনার পরিশ্রমে না, পড়ার নিয়মে।
BCS Mentor রোজ অল্প করে পড়ায়, ঠিক সময়মতো আবার মনে করিয়ে দেয়, আর কোন অধ্যায়ে আপনি কতদূর আছেন সেটা লুকায় না।
ফল? পরীক্ষার হলে গিয়ে মনে করার জন্য মাথা চুলকাতে হয় না।
✓ অ্যাকাউন্ট ছাড়াই আজ থেকে পড়া শুরু করা যায়। পরে অ্যাকাউন্ট খুললে এতদিনের পড়া সেখানেই যুক্ত হয়ে যাবে — কিছু হারাবে না।
আজ আপনার যা আছে
শনিবার
পরিশ্রম করেও কেন পিছিয়ে থাকেন?
দোষটা আপনার না। বেশিরভাগ প্রস্তুতি একই চারটা জায়গায় আটকে যায় — আর BCS Mentor-এর প্রতিটা ফিচার এর একটার সরাসরি উত্তর।
যে অংশটা সবাই ফেলে রাখে, সেটাই রোজ ধরিয়ে দিই
বাগধারা, সমার্থক, বিপরীত, পারিভাষিক, প্রবাদ, বানান, Idioms, Spelling, Correction — নম্বর এখানে প্রায় নিশ্চিত, কিন্তু একসাথে গিলতে গেলে কিছুই থাকে না। তাই আমরা রোজ অল্প অল্প করে মাথায় ঢুকিয়ে দিই। ছয় মাসে যেটা জমে, সেটাই হলে গিয়ে কাজে লাগে।
রোজকার রুটিনে যে ২০টি বিভাগ আছে
মন চাইল কি চাইল না — রুটিন ঠিক থাকে
আজ কী পড়বেন সেটা আগে থেকেই ঠিক করা আছে। আজকের লেসন শেষ হলে পরেরটা খুলবে রাত ৩টায়। এক দিনে সব শেষ করে ফেলার সুযোগ নেই, আবার “আজ কোনটা ধরি” ভাবতে গিয়ে সময়ও নষ্ট হয় না।
ভুলে যাওয়ার আগেই আবার সামনে
নতুন কিছু শিখলে মাথা সেটা কয়েক দিনেই ছেড়ে দেয় — যদি না নির্দিষ্ট সময় পরপর সেটা আবার সামনে আসে। কথাটা সবাই জানে, তবু রিভিশন সবসময় “সময় পেলে করব” তালিকাতেই পড়ে থাকে। আমরা সেটাকে রুটিনের ভেতরেই ঢুকিয়ে দিয়েছি — চারটা ধাপে।
“কতদূর হলো?” — এবার সত্যি উত্তরটা পাবেন
পুরো সিলেবাসকে ১০ বিষয়, ৩৭ সেকশন আর ৩৩৭টা অধ্যায়ে ভাগ করা আছে। প্রতিটা অধ্যায়ের হিসাব হয় দুই ভাগে — ৭০% পড়া আর ৩০% প্রশ্ন সমাধান।
বড় অধ্যায় রোজকার মাপে ভাঙা
৩৩৭টা অধ্যায় ভেঙে ৫৬৫টা দৈনিক টপিক। “মানবদেহ” সাত দিন ধরে ঝুলে থাকে না — রোজ একটা নির্দিষ্ট অংশ আসে।
নম্বরের ওজন মেনে
কোন অধ্যায় ২০০ নম্বরের কতটুকু, ঠিক সেই অনুপাতেই সামগ্রিক হিসাবে যোগ হয়। সব অধ্যায় সমান নয়।
যা পড়েননি, তাও হিসাবে
এখনো ধরেননি এমন অধ্যায়ও হিসাবের নিচে থাকে। তাই সংখ্যাটা আপনাকে খুশি করার জন্য বাড়িয়ে দেখায় না।
সিলেবাস কতদূর
৩৪%
২০০ নম্বরের মধ্যে ৬৮.২ নম্বর হাতে এসেছে
এটা শুধু নমুনা — আপনার অ্যাকাউন্টে সংখ্যাগুলো আপনার নিজের পড়া থেকেই আসবে।
বইয়ের বাইরেও রোজ কিছু
সাধারণ জ্ঞান আর ইংরেজি — এ দুটো বই মুখস্থ করে হয় না, রোজ একটু একটু পড়ার অভ্যাসেই হয়।
একটা দিন কেমন যায়
দিনে ঘণ্টাখানেক, কিন্তু রোজ। চাকরি বা ক্লাস সামলেও দিব্যি চালিয়ে নেওয়া যায়।
আর শুক্রবারে নতুন কিছু নেই। সেদিন শুধু সপ্তাহের পড়াটা ফিরে দেখা — একটু বিশ্রামও হয়, আবার জিনিসগুলো মাথায় বসেও যায়।
শুরু করতে টাকা লাগে না
আগে অভ্যাসটা হোক। ভালো লাগলে তখন না হয় প্রিমিয়ামে যাবেন।
শুরু করার সবচেয়ে ভালো সময় ছিল গত বছর।
দ্বিতীয় সেরা সময়টা আজ।
বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে না। আজকের প্রথম ছোট্ট লেসনটা শুরু করুন — বাকিটা রুটিন সামলে নেবে।
অগ্রগতি সব ডিভাইসে থাকবে · স্টাডি প্ল্যান যখন খুশি বদলানো যাবে