BCS প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি

পড়া তো হচ্ছে,
কিন্তু মনে থাকছে কি?

একদিন উৎসাহ নিয়ে অনেকটা পড়ে ফেলা, তারপর কয়েক দিন বইয়ের ধারেকাছেও না যাওয়া — চেনা লাগছে? সমস্যাটা আপনার পরিশ্রমে না, পড়ার নিয়মে।

BCS Mentor রোজ অল্প করে পড়ায়, ঠিক সময়মতো আবার মনে করিয়ে দেয়, আর কোন অধ্যায়ে আপনি কতদূর আছেন সেটা লুকায় না।

ফল? পরীক্ষার হলে গিয়ে মনে করার জন্য মাথা চুলকাতে হয় না।

✓ অ্যাকাউন্ট ছাড়াই আজ থেকে পড়া শুরু করা যায়। পরে অ্যাকাউন্ট খুললে এতদিনের পড়া সেখানেই যুক্ত হয়ে যাবে — কিছু হারাবে না।

আজ আপনার যা আছে

শনিবার

🔥 টানা ১২ দিন
🗣️বাগধারা✓ হয়ে গেছে
💬Idioms & Phrases১৪টি
↔️বিপরীত শব্দ১৮টি
🔠পারিভাষিক শব্দ২৪টি
সিলেবাস কতদূর২০০ নম্বরের হিসাবে

৩৩৭

অধ্যায় আলাদা করে গোনা

২০

মুখস্থ বিভাগ রোজকার রুটিনে

ধাপে রিভিশন

১০

বিষয়ের পুরো সিলেবাস

পরিশ্রম করেও কেন পিছিয়ে থাকেন?

দোষটা আপনার না। বেশিরভাগ প্রস্তুতি একই চারটা জায়গায় আটকে যায় — আর BCS Mentor-এর প্রতিটা ফিচার এর একটার সরাসরি উত্তর।

📉

যা হয়

উৎসাহের দিনে একগাদা, তারপর সব বন্ধ

যেদিন মন চায় সেদিন পাঁচ ঘণ্টা, তারপর ক্লান্তিতে সাত দিন বই ছোঁয়াই হয় না। মাস শেষে হিসাব করলে দেখা যায় — আসলে খুব একটা এগোয়নি।

যা করি

রোজকার মেপে দেওয়া ছোট ভাগ

প্রতিটা বিষয়ে দিনে একটা করে লেসন। বেশি পড়তে চাইলেও পরেরটা খুলবে না। আমরা গতি চাই না, ধারাবাহিকতা চাই।

🗂️

যা হয়

“বাগধারা-সমার্থক? ওসব পরে দেখা যাবে”

সহজ মনে হয় বলে সবাই এগুলো পিছিয়ে রাখে। অথচ সবচেয়ে নিশ্চিত নম্বরগুলো এখান থেকেই আসে। আর শেষ মাসে এসে হাজারখানেক শব্দ কেউ মুখস্থ করতে পারে না — চেষ্টা করে দেখেছেন নিশ্চয়ই।

যা করি

প্রথম দিন থেকেই ২০টি বিভাগ

রোজ কয়েকটা করে। চাপ লাগে না, অথচ মাস কয়েক পরে দেখবেন শব্দভাণ্ডার কোথায় পৌঁছে গেছে।

🕳️

যা হয়

পড়া হয়, কিন্তু ফিরে দেখা হয় না

নতুন অধ্যায়ের তাড়ায় পুরনোটা পড়েই থাকে। দুই মাস পরে চোখে পড়লে মনে হয় — আরে, এটা তো পড়েছিলাম! কিন্তু কী পড়েছিলাম, সেটা আর মনে নেই।

যা করি

রিভিশন রুটিনের ভেতরেই

লেসন শেষে যাচাই, তিন লেসন পরপর চেকপয়েন্ট, শুক্রবারে সপ্তাহের রিভিশন, মাস ঘুরলে পুরোটা। মনে রাখার দায়িত্ব ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয় না।

যা হয়

“কতটুকু হলো?” — কেউ বলতে পারে না

কত পৃষ্ঠা শেষ হলো সেটা বলা যায়। কিন্তু ২০০ নম্বরের কতটুকু হাতে এলো? এর উত্তর অনুমান ছাড়া কারও কাছে নেই। তাই আত্মবিশ্বাসটাও অনুমানের উপর দাঁড়িয়ে থাকে।

যা করি

২০০ নম্বরের আসল হিসাব

প্রতিটা অধ্যায় আলাদা করে হিসাব হয়ে বিষয়ভিত্তিক আর সামগ্রিক শতাংশে আসে। যেটা এখনো ধরেননি, সেটাও হিসাবের মধ্যেই থাকে — তাই সংখ্যাটা বাড়িয়ে দেখায় না।

যেখানে আমরা আলাদা

যে অংশটা সবাই ফেলে রাখে, সেটাই রোজ ধরিয়ে দিই

বাগধারা, সমার্থক, বিপরীত, পারিভাষিক, প্রবাদ, বানান, Idioms, Spelling, Correction — নম্বর এখানে প্রায় নিশ্চিত, কিন্তু একসাথে গিলতে গেলে কিছুই থাকে না। তাই আমরা রোজ অল্প অল্প করে মাথায় ঢুকিয়ে দিই। ছয় মাসে যেটা জমে, সেটাই হলে গিয়ে কাজে লাগে।

রোজকার রুটিনে যে ২০টি বিভাগ আছে

🗣️বাগধারা💬Idioms & Phrases🔗সমার্থক শব্দ📖শব্দার্থ / প্রতিশব্দ↔️বিপরীত শব্দ🔤এক কথায় প্রকাশ🔠পারিভাষিক শব্দ📜প্রবাদ প্রবচন🔀একই শব্দের ভিন্নার্থে প্রয়োগ🌐Translation🔉সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ✏️বানান শুদ্ধিকরণ📝বাক্য শুদ্ধিকরণ🔡One Word Substitution🪶Proverbs🎭Figures of Speech🗨️Quotations🧩Analogy✒️Correct Spelling🖊️Correction
🧩

বই যেভাবে সাজানো, সেভাবেই

যেখানে অধ্যায় ধরে পড়া দরকার সেখানে অধ্যায়, যেখানে শব্দের তালিকা সেখানে রোজকার তালিকা। কনটেন্ট কেটে জোর করে সমান ভাগ করা হয়নি।

🧠

পড়ুন, তারপর মিলিয়ে নিন

পড়া আর ফ্ল্যাশকার্ডের পরে ১০টা প্রশ্নের ছোট্ট পরীক্ষা। ৮০% না পেলে পরের লেসন খোলে না — “পড়েছি” আর “পেরেছি” এক জিনিস না।

📝

শেষে বিগত সালের প্রশ্ন

পুরো বিভাগ পড়া হয়ে গেলে সেই বিভাগের বিগত সালের প্রশ্ন আসে — পরীক্ষার নিয়মেই, ভুল করলে ০.৫ কাটা যায়।

ধারাবাহিকতা

মন চাইল কি চাইল না — রুটিন ঠিক থাকে

আজ কী পড়বেন সেটা আগে থেকেই ঠিক করা আছে। আজকের লেসন শেষ হলে পরেরটা খুলবে রাত টায়। এক দিনে সব শেষ করে ফেলার সুযোগ নেই, আবার “আজ কোনটা ধরি” ভাবতে গিয়ে সময়ও নষ্ট হয় না।

শনিবার

🗣️💬↔️🔠🪶🖊️🎭

টি বিভাগ

রবিবার

🗣️🔗🔤✒️📜🔡🗨️

টি বিভাগ

সোমবার

🗣️💬↔️🔠🪶✏️🧩

টি বিভাগ

মঙ্গলবার

🗣️🔗🔤✒️📜🔡📖

টি বিভাগ

বুধবার

💬↔️🔠🖊️🔀🌐📝

টি বিভাগ

বৃহস্পতিবার

🔗🔤✒️✏️🔀🌐🔉

টি বিভাগ

শুক্রবার

🔁

নতুন কিছু নেই, শুধু ফিরে দেখা

🔒

আজকের কাজ আজই

আজকেরটা শেষ হলে পরের লেসন রাত ৩টা পর্যন্ত বন্ধ। এক রাতে গিলে ফেলার অভ্যাসটা ঠেকানোর জন্যই।

🔥

টানা কত দিন

স্ট্রিক গোনা হয় আপনার সত্যিকারের কাজ থেকে। ভাঙার আগে মনে করিয়ে দেওয়া হয় — ছোট জিনিস, কিন্তু কাজে দেয়।

👥

বন্ধুদের সাথে

গ্রুপ খুলে কোডটা বন্ধুদের পাঠান। কে কতদূর গেল সেটা চোখের সামনে থাকলে অজুহাত এমনিতেই কমে যায়।

রিভিশন

ভুলে যাওয়ার আগেই আবার সামনে

নতুন কিছু শিখলে মাথা সেটা কয়েক দিনেই ছেড়ে দেয় — যদি না নির্দিষ্ট সময় পরপর সেটা আবার সামনে আসে। কথাটা সবাই জানে, তবু রিভিশন সবসময় “সময় পেলে করব” তালিকাতেই পড়ে থাকে। আমরা সেটাকে রুটিনের ভেতরেই ঢুকিয়ে দিয়েছি — চারটা ধাপে।

০১

ছোট্ট যাচাই

প্রতি লেসনের শেষে

এইমাত্র যা পড়লেন, তা থেকেই ১০টা প্রশ্ন। ৮০% না পেলে লেসনটা শেষ ধরা হয় না। পড়ে ফেলা আর পেরে ফেলা — দুটো এক করে ফেলার সুযোগ থাকে না।

০২

চেকপয়েন্ট

৩টা লেসন পরপর

আগের ৩টা লেসন একসাথে চোখ বুলিয়ে নিয়ে ২০ প্রশ্নের পরীক্ষা। পাস না করলে সামনে এগোনো যায় না — দুর্বল জায়গা জমতে দেওয়া হয় না।

০৩

সপ্তাহের রিভিশন

প্রতি শুক্রবার

সারা সপ্তাহে যা যা পড়েছেন, সব এক জায়গায়। এই দিনে কোনো বিভাগেই নতুন টপিক আসে না — পুরো দিনটাই ফিরে দেখার জন্য রাখা।

০৪

মাসের রিভিশন

৪ সপ্তাহ ভালো গেলে

৪টা সপ্তাহ ঠিকঠাক চালিয়ে গেলে দুই দিনের বড় রিভিশন — পুরো মাসে যা শিখলেন তার সবটা। এটা এমনি আসে না, অর্জন করে নিতে হয়।

অগ্রগতি

“কতদূর হলো?” — এবার সত্যি উত্তরটা পাবেন

পুরো সিলেবাসকে ১০ বিষয়, ৩৭ সেকশন আর ৩৩৭টা অধ্যায়ে ভাগ করা আছে। প্রতিটা অধ্যায়ের হিসাব হয় দুই ভাগে — ৭০% পড়া আর ৩০% প্রশ্ন সমাধান

📐

বড় অধ্যায় রোজকার মাপে ভাঙা

৩৩৭টা অধ্যায় ভেঙে ৫৬৫টা দৈনিক টপিক। “মানবদেহ” সাত দিন ধরে ঝুলে থাকে না — রোজ একটা নির্দিষ্ট অংশ আসে।

⚖️

নম্বরের ওজন মেনে

কোন অধ্যায় ২০০ নম্বরের কতটুকু, ঠিক সেই অনুপাতেই সামগ্রিক হিসাবে যোগ হয়। সব অধ্যায় সমান নয়।

🔍

যা পড়েননি, তাও হিসাবে

এখনো ধরেননি এমন অধ্যায়ও হিসাবের নিচে থাকে। তাই সংখ্যাটা আপনাকে খুশি করার জন্য বাড়িয়ে দেখায় না।

সিলেবাস কতদূর

৩৪%

২০০ নম্বরের মধ্যে ৬৮.২ নম্বর হাতে এসেছে

📗 বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৩৫ নম্বর · ৬২%
📘 ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য৩৫ নম্বর · ৪১%
🌏 বাংলাদেশ বিষয়াবলি৩০ নম্বর · ২৮%
🌐 আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি২০ নম্বর · ১৯%
📙 গাণিতিক যুক্তি১৫ নম্বর · ৪৪%

এটা শুধু নমুনা — আপনার অ্যাকাউন্টে সংখ্যাগুলো আপনার নিজের পড়া থেকেই আসবে।

বইয়ের বাইরেও রোজ কিছু

সাধারণ জ্ঞান আর ইংরেজি — এ দুটো বই মুখস্থ করে হয় না, রোজ একটু একটু পড়ার অভ্যাসেই হয়।

📰

রোজ সকালের সম্পাদকীয়

দেশি আর আন্তর্জাতিক পত্রিকা থেকে বেছে নেওয়া সম্পাদকীয়। শুধু লিংক ধরিয়ে দেওয়া নয় — পরীক্ষার কাজে লাগার মতো করে সাজানো।

  • 📄

    বাংলায় সারসংক্ষেপ

    পুরোটা না পড়েও মূল কথাটা ধরা যায়

  • 📖

    কঠিন শব্দের মানে

    ইংরেজি ভোকাবুলারি প্রসঙ্গের ভেতরেই শেখা হয়

  • ✍️

    লিখিত পরীক্ষার রসদ

    কীওয়ার্ড আর পাঞ্চলাইন আলাদা করে দেওয়া

  • 🔊

    শুনেও নেওয়া যায়

    বাসে-রিকশায় যেতে যেতেও আর্টিকেল শোনা যায়

📅

ডেইলি ডোজ

মুখস্থ বিভাগের বাইরের বাকি পুরো সিলেবাস। বাংলা, ইংরেজি আর গণিত রোজ; বাকি বিষয়গুলো নম্বরের ওজন অনুযায়ী পালা করে।

📗বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৩৫📘ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য৩৫🌏বাংলাদেশ বিষয়াবলি৩০🌐আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি২০📙গাণিতিক যুক্তি১৫🔬সাধারণ বিজ্ঞান১৫💻কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি১৫🧩মানসিক দক্ষতা১৫🗺️ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা১০⚖️নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন১০

অধ্যায়গুলো বইয়ের ক্রমেই আসে, তাই কোনটা বাদ পড়ে গেল সেই দুশ্চিন্তা করতে হয় না।

একটা দিন কেমন যায়

দিনে ঘণ্টাখানেক, কিন্তু রোজ। চাকরি বা ক্লাস সামলেও দিব্যি চালিয়ে নেওয়া যায়।

১০ মিনিট📰

সকালে

একটা সম্পাদকীয়

চায়ের কাপ হাতে একটা আর্টিকেল — পড়ুন, নয়তো শুনে নিন।

২০ মিনিট🧠

সকালে

আজকের মুখস্থ

নির্ধারিত বিভাগগুলোর ছোট ছোট লেসন, প্রতিটার শেষে মিলিয়ে নেওয়া।

২৫ মিনিট📅

বিকেলে

ডেইলি ডোজ

সিলেবাসের পরের অধ্যায়টা বই থেকে পড়ে অ্যাপে টিক দিয়ে দিন।

১৫ মিনিট✍️

রাতে

কিছু প্রশ্ন

যে বিভাগের পড়া শেষ, তার বিগত সালের প্রশ্ন — পরীক্ষার নিয়মেই।

আর শুক্রবারে নতুন কিছু নেই। সেদিন শুধু সপ্তাহের পড়াটা ফিরে দেখা — একটু বিশ্রামও হয়, আবার জিনিসগুলো মাথায় বসেও যায়।

শুরু করতে টাকা লাগে না

আগে অভ্যাসটা হোক। ভালো লাগলে তখন না হয় প্রিমিয়ামে যাবেন।

ফ্রি

৳০

চিরতরে বিনামূল্যে

  • মুখস্থ বিভাগের দৈনিক রুটিন
  • সীমিত প্রশ্নব্যাংক
  • দৈনিক সম্পাদকীয়
  • সম্পূর্ণ ডেইলি ডোজ
  • গ্রুপ লার্নিং
বিনামূল্যে শুরু করুন

প্রিমিয়াম

জনপ্রিয়

৳৪৯৯

৬ মাসের জন্য

  • ১০০–৩৬৫ দিনের কাস্টম প্ল্যান
  • সম্পূর্ণ প্রশ্নব্যাংক
  • মুখস্থ + ডেইলি ডোজ
  • সম্পাদকীয় + আপডেট
  • গ্রুপ লার্নিং
এখনই শুরু করুন

প্রিমিয়াম

৳৭৯৯

১ বছরের জন্য

  • ৬ মাসের সব সুবিধা
  • ৩৬৫ দিনের পূর্ণ প্ল্যান
  • সর্বোচ্চ সাশ্রয়
১ বছর বেছে নিন

শুরু করার সবচেয়ে ভালো সময় ছিল গত বছর।
দ্বিতীয় সেরা সময়টা আজ।

বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে না। আজকের প্রথম ছোট্ট লেসনটা শুরু করুন — বাকিটা রুটিন সামলে নেবে।

অগ্রগতি সব ডিভাইসে থাকবে · স্টাডি প্ল্যান যখন খুশি বদলানো যাবে